টাকা ছাড়াই সম্পদ তৈরি করবেন কি ভাবে


 একজন গরীব ব্যক্তি এবং একজন ধনী ব্যক্তির মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা কি জানেন সেটি হচ্ছে একজন গরীব ব্যক্তি সে সারাজীবন বিভিন্ন রকম লাইবেলিটি থাকে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিভিন্ন রকম সমস্যার মধ্যে থাকতেই থাকে আর অপরদিকে ধনী ব্যক্তিদের ফোকাস কোথায় থাকে জানেন তাদের ফোকাস থেকে এসিড তৈরি করার উপরে তো এখন কথা হল এর লাইবিলিটি এবং এস এ দুটি বিষয় আসলে কি এমন জিনিস যেটি আপনার পকেট থেকে টাকা নিয়ে যায় মানে আপনি এমন একটা কাজ করেছেন যে কাজটি কারণে আপনার পকেট থেকে প্রতি মাসে টাকা চলে যাচ্ছে আর এ সেট হল সেই জিনিস মানে আপনি এমন কোন জিনিস তৈরি করেছেন জেটি থেকে প্রতিমাসে আপনার পকেটের টাকা আসতেই থাকে আজকের ভিডিওটি খুবই ইমপরটেন্টস্পেশালি তাদের জন্য যারা লাইফে আসলে কিছু করতে চায় কিন্তু তারা বুঝতেই পারছে না তারা আসলে তাদের লাইফে কি কি ভুল গুলো করছে তারা যে কি পরিমান নিয়ে নিচ্ছে সেটি তারা নিজেরাও বুঝতে পারছে না দেখুন যাদের বেতন 20 হাজার 30 হাজার বার 40000 তাদের ক্ষেত্রেও দেখবেন তারা নয় ইএমআই তে আইফোন কিনে ফেলে আমি বলছি না.

জ্যোতিষ মেয়ের একটি ডাটা অনুযায়ী ইন্ডিয়ার 60 শতাংশ আইফোন বিক্রি হয়। ইএমআই তে চোখ বুজতেই পারছেন পরিমাণ ইন্ডিয়ান মানুষ শুধুমাত্র আইফোন কিনে ইএমআই তে হাড়িয়ে মানুষ তখনই যখন তার পুরোপুরি টাকাটা তার হাতে থাকে না মানুষ যারা এসেছে তাদের মধ্যে 65 শতাংশ মানুষই না তাই ফোন করতে পারছে না। বাট অপশন রয়েছে ইএমআই দেখুন হার্নিয়া বালুর নেয়া এটি একটি মানুষের জন্য ডেট্রয়েট হল আপনি কোন জায়গা থেকেটাকা ধার নিয়েছেন এবং প্রতিমাসে আপনি সেই ধার একটু একটু করে দিচ্ছেন মানে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনি এই ট্রিপে ফেঁসে যাচ্ছেন আজ এই ভিডিওতে আমরা step-by-step কিছু জিনিস শিখব কিভাবে আপনি আপনার লাইভে লেটেস্ট এসিডে পরিণত করতে পারেন? মানে আমরা আমাদের যেই library's তৈরি করেছি সেগুলো কি আসলে কিভাবে আবার আমরা এসিড তৈরি করতে পারি এই জিনিসটি সিংহ সর্বপ্রথম আমি আপনাদের একটা মেসেজ দিতে চাই আর এই মেসেজটি আমি আপনাদের দিব একটা স্টোর এর মাধ্যমে.


রিয়াল স্টোরি সেখানে মানুষজন খুব গরিব ছিল তাই তারা যেটা করতো তাদের বাবা মা যখন বৃদ্ধ হয়ে যেত মানে তারা যখন কর্মের ক্ষেত্রে অক্ষম হয়ে যেত তখন সেই ভিলেজের ছিল তাদের বাবা-মাকে মাউনটেনের সেখান থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দে কারণ তারা খুব গরিব ছিল তাদের পক্ষে তাদের বৃদ্ধ বাবা-মাকে খাওয়ানোর মতো টাকা পয়সাও ছিলো না তাই তারা এই জঘন্য প্রতিষ্ঠিত অবলম্বন করেছিল এবার স্ত্রীর নামে একটি ছেলে তার বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে হবে তো ছিল না তাই তার বাবা খুব কষ্ট করে লালন-পালন করে রেখে বড় করেছে কিন্তু আজ তার বাবা অক্ষম হয়ে গিয়েছে তাই স্টিফেনের আজ তার বাবাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে হবে সেই মাউন্টেন থেকে তার বাবাকে নিয়ে এসে মাউনটেনের দিকে রওনা হলো খুব কষ্ট পাচ্ছিল তার বাবা ছোটবেলা থেকে তাকে যে কত কষ্ট করে বড় করেছে সেই বিষয়গুলো তার মাথায় বারবার মনে আসছিল আর এই দুনিয়াতে স্টিফেনের তার বাবা ছাড়া আর কেউই নেই স্টিফেন এমন কোন ভাবেই মান ছিল না তার বাবাকে সেই মাউন্টেন থেকে ধাক্কা দিবে যাইহোক মাউন্টেনে ওঠার একপর্যায়ে স্টিফেন বসে কেঁদে দেয় তার বাবা.বাবা তুই কাঁদিস না এই প্রচেষ্ঠা আমাদের ভিলেজের ইরুল সত্যই কান্না না করে চল আমরা উপরে উঠি তখন স্টিফেন বলছিল আমি কোনভাবেই করতে পারবোনা আমি তোমাকে কোনোভাবেই হারাতে পারবো না কিন্তু তার বাবা বলে দেখো তোমার তো এই ভিলেজ থাকতে হবে তুমি যদি আমাকে আজ ধাক্কা না দেও তাহলে ভিলেজের মানুষজন তোমার বিপক্ষে চলে যাবে তুমি কোনভাবেই ভিলেজের সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মতো বসবাস করতে পারবি না আমি চাই তুমি অনেক ভালো থাকো আর এর জন্য আমার মৃত্যু হলে হবে কিন্তু তারপরও স্টিফেন এই জিনিসটি কোনভাবে মানতেই পারছিনা যাইহোক স্টিফেন সেই বসার জায়গা থেকে আর উঠছিল না এভাবে করে একটা সময় সন্ধা হয়ে যায় তারপরযখন রাত হয়ে যায় চিন্তা করে তার বাবাকে গোপন একটা রুমের মধ্যে রেখে দিবে তার বাবা কিসের ধাক্কা দিবে না তো যাই হোক সেটাই করলো তার সেই ভিলেজে গোপন একটা রুমের মধ্যে তার বাবাকে রেখে দিলো এবং সে প্রতিদিন তার বাবার সাথে দেখা করতে পরিস্থিতি প্রচুর পরিশ্রম করা শুরু করতে পরিস্থিতি প্রচুর পরিশ্রম করা শুরু করল সে যে করেই হোক তার বাবাকে বাঁচাতে হবে তার বাবাকে তার সাথে তার রুমে নিয়ে আসতে হবে এই চিন্তা করেই সে যেমনই হোক অনেক পরিমাণ টাকা উপার্জন করার চেষ্টা করলো.আর প্রতিদিন সে সন্ধ্যার পরে তার বাবার কাছে যেত তার বাবার কাছ থেকে সে সাহস নিয়ে তার বাবা তাকে প্রচুর সাহস দিত এবং প্রচুর আদর করতো এরপর অল্প কিছু সময়ের ব্যবধান ইন আরেফিন অনেক ধনী হয়ে যায়


 তারপর গ্রামবাসী মানে তার খুব ক্লোজ বন্ধুরা তাকে জিজ্ঞাসা করে ইসটিফিন তুই এত ধনী কিভাবে হলে তখন স্টিফেনবলেছিল আমি আমার বাবাকে না সেদিন ধাক্কা দেয়নি আমার বাবাকে একটি জায়গায় রেখে দিয়েছিলাম তখন তো সবাই অবাক পাশাপাশি তারাই জিজ্ঞেস করলো তোর বাবাকে সেদিন ধাক্কা দেয়নি কেন তখন স্টিফেন বলেছিল আমার বাবা না আমার জন্য সব আমার বাবা না থাকলে আমি আমার জীবনে কিছুই করতে পারবোনা আমার বাবাকে তিনবেলা খাবার দিতে হবে এই কষ্টে আমি আমার বাবাকে এটি কখনো ভাবতেই পারিনি তাই আমি নিজেই যে করেই হোক অনেক টাকা আয় করার চেষ্টা করলাম যেন গ্রামবাসী একটি বলতে না পারে তোমারই কষ্ট হচ্ছে তুমি আবার তোমার বাবাকে ধাক্কাও দিচ্ছ না পাশাপাশি ইসটিফিন তাদেরকে এটিও বলছিল আমারবাবা প্রতিদিন আমাকে কত পরিমান মোটিভেটেড করেছে আজ এই পর্যন্ত আসার জন্য তোমরা কি জানো আমার বাবা প্রতিদিন আমার মাথায় ধরে আদর করে দিত আমার মা ছিলনা আমার এই ভাবে আমাকে খুব কষ্ট করে বড় করেছে.আর প্রতিদিন যখন আমি অনেক পরিশ্রম করে সন্ধ্যার পরে বাবার কাছে যেতাম আমার বাবা আমাকে মাথায় হাত দিয়ে আদর করে দিত আর সেই আদরের পরে আমার সকল পরিশ্রমের কষ্টগুলো না হ্যাপি তে পরিণত হয়ে যেত আর এ জন্যই আমি এতটা সেক্সের ছবি গল্প থেকে আমরা যে মেসেজটি নিতে পারে সেটি হলো আমাদের পিতা মাতা সব সময় যে আমাদের জন্য বিপদ বা লাইবিলিটি কিন্তু না আমাদের পিতা মাতা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় কিছু মানেআমাদের পিতা মাতা আমাদের জন্য এই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এফেক্ট এখন বৃদ্ধ বাবা-মাকে অনেকের library's ভাবতে পারেন সেটা তাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার কিন্তু সুস্থ ও স্বাভাবিক মস্তিষ্কের মানুষের জন্য এই baba-meye আছে চলুন এবার আমরা আমাদের নৈতিক ফ্রী আমরা কিভাবে প্রচুর পরিমাণ লাইভে লিরিকস কিনছি দেখুন ইন্ডিয়াতে কি না হয় সেই আইফোনটি কে নিয়েই আমরা একটা এক্সাম্পল দেখি একটাআইফোন নিয়ে নিয়েছেন এখন এই ফোনটি আপনি যদি নরমালি ইউজ করেন তাহলে এটি আপনার জন্য টোটালি একটা লাইবেলিটি কারণ আপনি এই আইফোনটা ইউজ করছেন মানুষকে সোয়াপ করানোর জন্য আপনি আইফোন ইউজ করছেন নিজের পার্সোনালিটি যে হাই এই জিনিসটি.মানুষকে দেখানোর জন্য কিন্তু রবার্ট কিয়োসাকি বলেন আপনি যদি আপনার এই আইফোনটি কোন একটি টাকা ইনকাম করার পরই তৈরি করে ফেলেন তাহলে এই আইফোনটি আপনার জন্য অনলাইনে লেডিস থাকে না এটি আপনার জন্য এস এস ভিডিও শুরুতে আমি আপনাদের এটাই বলতে চাচ্ছিলাম যে অনলাইনে লেডিস কে কিভাবে এসিড তৈরি করা যায় ধরুন আপনি চাকরির পরে যখন বাসায় ফিরেন তখন আপনার আইফোনটি দিয়ে আপনি কোন ভিডিও শুট করলেন এবং সেই মিনিংফুল ভিডিওটিকে আপনি প্রতিদিন ইউটিউবে আপলোড করতে থাকেন বা প্রতিদিন না পারেন দুই তিন দিন পর পর একটা করে ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করতে থাকেন অথবা আদার্স প্ল্যাটফর্ম রয়েছে আপনি সেখানে আপলোড করলেন তাহলে ছয় মাস হোক এরপর কিন্তু আপনার সেই জায়গা থেকে টাকা আসতে থাকবে ছবিটি হলো এখানে আইফোনটা আপনার জন্য এ সেট হয়ে যায়।


 ঠিক একইভাবে আমরা অনেক দামি বাইক কিনে ফেলি এখন এই ব্যক্তিকে যদি অ্যাসিডে পরিণত করতে হয় তাহলে আপনাকে প্রথমে পাঠাও তে রাইট করতে হবে এখন আপনারা বলতে পারেন ভাই এতো দামী বাইক কিনতে গিয়েই ওভার পাঠাওতে চালানোর জন্য হ্যাঁ আমি জানি এই কোশ্চেনটা আপনাদের মনের মধ্যে আসবে কিন্তু আপনাকে একটা জিনিস মনে রাখতে হবে আপনার ফাইনান্সিয়াল.এই মুহূর্তে যেটা আপনি কিন্তু আসলে সেটাই আপনি এর বাইরে নয় আপনার ঘরের কন্ডিশন যা আপনার বাস্তবতা সেটাই দেখুন আপনি এটিও ভাবতে পারেন ভাই আমার অনেক বন্ধুবান্ধব রয়েছে তাদের এমন ভাবে তারা তো এই কাজটি করছে না আমি যদি করি তাহলে আমার পেস্টিস থাকবে হ্যাঁ থাকবে কেন থাকবে জানেন কারন আপনার ফাইন্যান্সিয়াল কন্ডিশন তারা কখনোই ছোট করতে আসবে না আপনার ফ্যামিলির প্রবলেম তারা কখনোই দেখতে আসবে না আপনার ফ্যামিলি প্রবলেম আপনাকে সব করতে হবে হ্যাঁ তারা আপনাকে সাপোর্ট দিতে পারে বাট সেটা সাময়িক অন্য কোন মানুষ আপনার ফ্যামিলিকে সারা জীবনটা আনতে আসবে না আপনার বাবা যখন অসুস্থ হবে তখন অন্য কেউ আপনার বাবার ঔষধ সারাজীবন কিনে দিবে না সারা জীবন আপনাকে কিনতে হবে আপনার ফ্যামিলির কন্ডিশনটা যেরকম আপনি নিজেকে সেভাবে চিন্তা করুন দেখুন কোন কাজই ছোট নয় যেকোনো কাজেই যে কোন মানুষ যে কোন সময় করতে পারে যদি সেটি হালাল হয় আপনাদের একটা বাস্তব স্টরি বলি দুবাইয়ের একটি ঘটনা একটা ট্যাক্সি ড্রাইভার পাকিস্তানি ট্যাক্সি ড্রাইভার সেন্টার করছিল সে প্রতিদিন সেই চিঠিতে ড্রাইভ করে আর একটা জায়গায় দেখে কিছু পাথর পড়ে রয়েছে কিন্তু পাথরগুলো.কি হচ্ছে না তাই সে একদিন তার টিটিকে পাশে পার্ক করে অনেকক্ষন সময় লাগে অনেকগুলো পরিশ্রম করে সে প্রতিটি পাথরকে সেখান থেকে সরিয়ে একটা সাইডে রাখল এবং তারপর সে তার টেকসিটি নিয়ে সেখান থেকে চলে গেল এই ঘটনাটি দুবাইয়ের বাদশা কোনো ভাবে জানতে পারে তারপর সে তাকে তার বাসায় ডাকে দুবাইয়ের বাচ্চা থাকে বলে আচ্ছা এই কাজটিতে গভমেন্টের মানে আমাদের করার কথা ছিল আপনি করলেন কেন তখন সেই লোক বলেছিল দেখুন ভাল কাজ যে কোন মানুষ যেকোন জায়গা থেকে করতে পারে এই কথাটি শুনে দুবাইয়ের বাচ্চা এতটাই খুশি হয়েছিলেন তাকে সেই মুহূর্তে অনেক টাকা ইনাম দিয়েছিলেন যাইহোক এই সিটি বলার একটা কারণ রয়েছে সেটি হচ্ছে ভালো কাজের রেজাল্টটা কোন না কোন সময় আসি আর আপনি যদি একটা বাইক দিয়ে নিজে ড্রাইভ করে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করে আপনি আপনার বাবা-মায়ের জন্য করেন ফ্যামিলির জন্য করেন।


 এই টার রেজাল্ট না সৃষ্টিকর্তার কোন না কোন ভাবে আপনাকে দিবে আর আর একটি সূত্রের কথা আপনাদের কে মনে করিয়ে দেই যার ফ্যামিলি কন্ডিশন যত বেশি খারাপ সেনা লাইফে ততবেশি সাকসেস হতে পারে কারণ সেই ব্যক্তির নিজের চোখে যখন তার ফ্যামিলি.অনেক খারাপ দেখে তার বাবা-মায়ের অনেক কষ্ট হচ্ছে সেটি দেখে সেই কষ্টটা তার ব্রেনে একটা পজিটিভ এনার্জি দেয় এবং তার ব্রেনে এতটা এনার্জি দিয়ে দেয় যে সে যে করেই হোক যত কষ্টই হোক সে তার লাইফে কোনো না কোনো রাস্তায় বের করে সাকসেস হয়ে যায় আবার ধরুন আপনার কাছে একটা ডিএসএলআর ক্যামেরা রয়েছে যেটি দিয়ে অনেক ভালো ভিডিও অথবা পারেন আপনি তাকে বলতে পারেন ভাই তুমি এই জায়গায় যে ফটোগ্রাফি করো আর তোমার কাছে তো ক্যামেরা নেই সেটা আমি তোমাকে দিচ্ছি এবং এরপর যা ইনকাম হবে দুজন মিলে ভাগ করে নিব এভাবে করে একটি ক্যামেরা লাইবিলিটি থেকে এসিডে পরিণত হতে পারে আবার ডিএসএলআর ক্যামেরা অনেক জায়গায় পাওয়া যায় এর মানে এটা না আপনার ভীষণ এ পর্যন্ত আপনার ভীষণ কিন্তু থাকবে অনেক দূর পর্যন্ত কিন্তু আপনার এই অসুখ গুলোকে কাজে লাগাতে হবে শুরুতে কারণ আপনার যদি অনেক দূর পর্যন্ত যেতে হয় তাহলে সবার প্রথম.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন